আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার ( ITU ) পুরষ্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থার ( ITU ) পুরষ্কার পাচ্ছে বাংলাদেশ
টেকসই উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ‘উল্লেখযোগ্য সাফল্যর স্বীকৃতি হিসেবে’ বাংলাদেশকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা।
সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সচিব সাংবাদিকদের বলেন, “আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা (আইটিইউ) বাংলাদেশকে একাধিকবার সম্মানিত করেছে। আরেকটি পদক বাংলাদেশকে দেবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
আইটিইউ’র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে এ পদক নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন বলে জানান সচিব
“তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সেই চিঠি মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীকে হস্তান্তর করেছেন। এই পুরস্কারের নাম হবে ‘অ্যাওয়ার্ড ফর আইসিটিজ ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’।”
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশন চলাকালে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর হাতে এ পদক তুলে দিতে চেয়েছে আইটিইউ। তবে এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ শুরু করে ইতোমধ্যে সেই লক্ষ্যের ‘অনেকটাই’ অর্জিত হয়েছে বলে সরকারের দাবি।
তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের জীবনমান পরিবর্তনের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৪ সালে ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইটি’ (ডব্লিউএসআইএস) পুরস্কার পায় বাংলাদেশের ‘একসেস টু ইনফরমেশন’ (এটুআই) প্রকল্প।
বাংলাদেশকে ওই পুরস্কার দেওয়া হয় ‘জনগণের দোরগোড়ায় সেবা’ ক্যাটাগরিতে। গত বছর জেনেভায় ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) সদরদপ্তরে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
তথ্য-প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সমাজের অগ্রগতিতে অবদানের জন্য একই বছর ‘পাবলিক সেক্টর এক্সিলেন্স’ ক্যাটাগরিতে ‘গ্লোবাল আইসিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ পায় বাংলাদেশ।
ছবিঃ গুগল

