বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা- ডব্লিউএমও জানিয়েছে, বৈশ্বিক আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতি এল নিনো শুরু হয়েছে এবং এর প্রভাবে এরইমধ্যে ভূপৃষ্ঠ ও সাগরের উষ্ণতা বেড়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। বিশ্বজুড়ে তাপদাহ-বন্যা-খরার মতো বৈরি আবহাওয়া বাড়বে। এল নিনো কমপক্ষে দু’বছর স্থায়ী হবে। এ অবস্থায় বিশ্ববাসীকে চরম পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রস্তুত হওয়ার তাগিদ দিয়েছে ডব্লিউএমও।

চলতি বছর থেকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের যখন যেটাই আসবে সেটা চরম আকার ধারণ করবে। তাপপ্রবাহ অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে। অল্পসময়ে বেশি বৃষ্টি ঝরবে। ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার তীব্রতা বাড়বে। আবহাওয়ার এরকম চরম পরিস্থিতিই হল এল নিনো।

আনুষ্ঠানিকভাবে এল নিনো শুরুর ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা ডব্লিউএমও । সংস্থাটি জানিয়েছে, বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তেই এল নিনোর প্রভাব থাকবে।  KSRM

গবেষকরা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকা ও মধ্য এশিয়ায় বাড়বে বন্যা। আর অস্ট্রেলিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে তীব্র তাপদাহ ও খরার মুখোমুখি হতে হবে।

মাঝারি শক্তির এই এল নিনো চলবে চলতি বছরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত। এরপর চরম পর্যায়ে পৌছাবে। পরিণত হতে পারে সুপার এল নিনোতে- আর এ সম্ভাবনা ৫৬ শতাংশ বেশি।

গরম, ঠাণ্ডা ও নিরপেক্ষ- আবহাওয়ার মধ্যে উষ্ণ পর্যায়টি এল নিনো, স্প্যানিশ এ শব্দের অর্থ ছোট ছেলে। পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলীয় প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উষ্ণতা যখন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তখনই এল নিনোর শুরু। দেখা দেয় প্রতি ২ থেকে ৭ বছর পর পর।

সাধারণত যে বছর এল নিনোর শুরু, তার পরের বছর তীব্র গরম অনুভূত হয়। ২০১৫ সালে এল নিনো শুরু হলেও ২০১৬ সালে তাপমাত্রা রেকর্ড ভাঙ্গে।  কৃষি নির্ভর ও উন্নয়নশীল দেশগুলোই মূলত এল নিনোর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ছবিঃ সংগ্রহ

আরও খবর