বাংলাদেশ সরকার

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সহযোগিতা চেয়েছে সরকার

কোরবানি পশুর বর্জ্য অপসারণে সরকারি ভাবে সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে ।

সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয় , কোরবানির দিন সকলের সুস্বাস্থ্য ও পারিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে করবানির বর্জ্য অপসারণে সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য জনগণের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে ।

এতে বলা হয় , কোরবানি পশুর রক্ত , নাড়িভুঁড়ি , গোবর , চামড়া ইত্যাদি সুষ্ঠুভাবে অপসারণ না করলে চারদিকে দুর্গন্ধময় পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে । এ বর্জ্য নর্দমায় ফেললে রোগ – জীবাণু ছড়িয়ে মানুষকে আক্রান্ত করে । প্রায় ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বর্জ্যের চাপে ড্রেন ও নর্দমা বন্ধ হয়ে যাবার আশংকা থাকে । আবার অল্প বৃষ্টিতে নর্দমা আটকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতে পারে ।

তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয় , সচেতনতার অভাবে জবাইকৃত পশুর রক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় অংশ নর্দমাসহ যেখানে সেখানে ফেলার কারণে বিভিন্ন ধরণের রোগ বালাই বিস্তারসহ পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে । এ পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে করবানির সময় শহর থেকে গ্রামের সর্বত্র সকলকে কিছু সামাজিক দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ হওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো যাচ্ছে ।

বিবরণীতে আরো বলা হয়েছে , সরকার নির্ধারিত স্থানে ও পরিষ্কার জায়গায় পশু কোরবানি দিতে হবে । রক্ত শুকিয়ে যাওয়ার আগেই ধুয়ে ফেলতে হবে । মাটিতে গর্ত করে তার মধ্যে রক্ত , গোবর ও পরিত্যক্ত অংশ মাটিচাপা দিতে হবে । বর্জ্য অপসারণ ও মাংস বিতরণে পরিবেশ সম্মত ব্যাগ ব্যবহার করাই উত্তম । পশুর হাড় সহ শক্ত বর্জ্য ও অন্যান্য উচ্ছিষ্ট যেখানে সেখানে না ফেলে ব্যাগে ভরে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত জায়গায় ফেলতে হবে ।

কোরবানির বর্জ্য ত্বরিত অপসারণে সরকার ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে । জীবাণু যাতে না ছড়ায় তার জন্য করবানির স্থানে ব্লিচিং পাউডার বা জীবাণুনাশক ছড়িয়ে দিতে হবে ।

ছবিঃ সংগ্রহ

আরও খবর