জাতীয় টিকাদান

জাতীয় ভিটামিন ‘ এ ‘ ক্যাম্পেইন আজ

আজ সারাদেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভিটামিন ‘ এ ‘ প্লাস ক্যাম্পেইন । ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ২৫ লক্ষ ৪৭ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রংয়ের ভিটামিন ‘ এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে । ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কৌটি ৯৫ লক্ষ ৭ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রংয়ের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে । সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় আড়াইকৌটি শিশুকে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ।

শিশুদের অপুষ্টি ও রাতকানা দূর করতে ১৯৭৪ সাল থেকে পরিচালিত হচ্ছে এ ক্যাম্পেইন । কার্যক্রমের শুরুর দিকে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের মধ্যে রাতকানার হার ছিল ৩.৭৬ শতাংশ । ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে রাতকানা রোগের হার ১ শতাংশের নীচে নেমে এসেছে

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় , বিভিন্ন সাকারি ও বেসরকারি সংস্থা , ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান , ছাত্র – শিক্ষক , সাংবাদিক সহ সবার সহযোগিতায় দেশব্যাপী ১ লক্ষ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র সহ আরও ২০ হাজার ভ্রাম্যমান কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে । শিশুদের ভরপেটে কেন্দ্রে আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না । ৬ মাস কম বয়সী ও ৫ বছরের বেশি বয়সী এবং অসুস্থ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো যাবে না ।

ভ্রাম্যমান কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড , লঞ্চঘাট , ফেরিঘাট , ব্রিজের টোলপ্লাজা , বিমানবন্দর , রেলস্টেশন , খেয়াঘাট প্রভৃতি স্থানে অবস্থান করবে । প্রতিটি কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবে ২ জন করে প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছসেবী ।

দুর্গম এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ১২ টি জেলার ৪৬ টি উপজেলার ২৪০ টি ইউনিয়নে ক্যাম্পেইন পরবর্তী ৪ দিন ( ১০-১৩ ফেব্রুয়ারি ) বাড়ি বাড়ি গিয়ে বাদ পড়া শিশুদের ভিটামিন ‘ এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে ।

১৯ জানুয়ারি সারাদেশে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল । ওষুধের মান নিয়ে সন্দেহ থাকায় সেই কর্মসূচি বাতিল করা হয় । গত ডিসেম্বরে এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করার কথা থাকলেও বার্ষিক পরীক্ষা ও জাতীয় নির্বাচনের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয় ।   

ছবিঃ সংগ্রহ

আরও খবর