চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হচ্ছে না চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নির্ধারিত ১৮০ দিন সময়ের মধ্যে করা সম্ভব নয় বলে সরকারকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব বরাবরে পাঠানো এক চিঠিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ঝুঁকির বর্তমান পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ইসি তাদের এই অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে। চিঠিতে করোনা পরিস্থিতির পাশাপাশি পাহাড় ধসের আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে।

এদিকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম ইসির এই চিঠি পাওয়ার কথা জানিয়ে বলেছেন, ৫ আগস্টের পরে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে অর্থাৎ প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনানুযায়ী কোনো করপোরেশনের ৫ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে ইসির পক্ষ থেকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেছিল। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ ছিল ভোটের দিন। কিন্তু এর আগে দেশে করোনা প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় ঐ নির্বাচন স্থগিত করে দেওয়া হয়। ঐ একই দিনে বগুড়া-১ এবং যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা ছিল। ঐ নির্বাচন দুইটি স্থগিত হয়েছিল। তবে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও গতকাল ১৪ জুলাই ঐ দুইটি আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

আইন অনুযায়ী সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে করপোরেশন ভেঙে যাবে। এক্ষেত্রে ঐ করপোরেশনের প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। আইনে বলা আছে, কোনও নতুন সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠা করা হলে, অথবা কোনও সিটি করপোরেশন বিভক্ত করা হলে, অথবা কোনও সিটি করপোরেশন মেয়াদোত্তীর্ণ হলে সরকার সিটি করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত তার কার্যাবলি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করতে পারবে।

ছবিঃ সংগ্রহ

আরও খবর