বিডিআর বিদ্রোহের দশম বার্ষিকী আজ
বিডিআর বিদ্রোহের দশম বার্ষিকী আজ
রাজধানীর পিলখানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ( বিজিবি ) সদর দপ্তরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দশম বার্ষিকী আজ । ২০০৯ সালে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা সহ ৭৪ জন নিহত হন ।
বিজিবি’ র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় , সোমবার পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তর সহ সব রিজিয়ন , সেক্টর , প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় খতমে কোরআন , বিজিবি’র সব মসজিদে ও বিওপি পর্যায়ে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে ।
সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি , প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী , তিন বাহিনী প্রধান , স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব এবং বিজিবি মহাপরিচালক শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র সচিব , বিজিবি মহাপরিচালক , শহীদদের নিকটাত্মীয় , পিলখানায় কর্মরত সব অফিসার , জুনিয়র কর্মকর্তা , অন্যান্য পদবীর সৈনিক ও বেসামরিক কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করবেন ।
বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় বিদ্রোহ ও হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে । পুরান ঢাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ আদালতে ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয় । এ মামলায় ৮৩৪ জন আসামীর মধ্যে ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৬১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বাকিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় । বিদ্রোহের ঘটনায় অভিযুক্ত ৬০৪১ জনের মধ্যে ৫৯২৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয় ।
২৫ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্রোহীদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলে বিডিআর সদস্যদের একাংশ আত্মসমর্পণ করে । ২৬ ফেব্রুয়ারি দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত বিডিআর ক্যাম্পে পুনরায় উত্তেজনার খবর পাওয়া যায় । ঐদিনই জাতীর উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বিডিআরকে তাদের দাবী মেনে নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন । ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যগণ তাদের অস্ত্র জমা দেন । বাংলাদেশ পুলিশ বিডিআর সদর দপ্তরের নিয়ন্ত্রণ নেয় ।
ছবিঃ সংগ্রহ

