ঘূর্ণিঝড় ‘ ফণি’র প্রভাব শুরু হতে পারে শুক্রবার সকাল নাগাদ
ঘূর্ণিঝড় ‘ ফণি’র প্রভাব শুরু হতে পারে শুক্রবার সকাল নাগাদ
বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে দেয়া আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আগামীকাল শুক্রবার ( ৩ মে ) সকাল নাগাদ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ ফণি ‘- র প্রভাব শুরু হতে পারে । ‘ ফণি ‘ আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে আগামীকাল শুক্রবার বিকেল নাগাদ ভারতের উড়িষ্যা উপকূল অতিক্রম করতে পারে । পরবর্তীতে উড়িষ্যা পশ্চিমবঙ্গ উপকূল হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা নাগাদ খুলনা ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণ- পশ্চিম এলাকায় পৌঁছাতে পারে ।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয় , ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬০ কিঃ মিঃ যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৮০ কিঃমিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে । ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে ।
মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর সমূহকে ৪( চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৭( সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে ।
উপকূলীয় জেলা ভোলা , বরগুনা , পটুয়াখালী , বরিশাল , পিরোজপুর , ঝালকাঠি , বাগেরহাট , খুলনা , সাতক্ষীরা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে ।
এটি সকাল ৯ টায় ( ২ মে , ২০১৯ ) চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ৬৫ কিঃমিঃ দক্ষিণ – পশ্চিমে , কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ১ হাজার ২৫ কিঃমিঃ দক্ষিণ – পশ্চিমে , মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯’শ ১৫ কিঃমিঃ দক্ষিণ – পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯’শ ২৫ কিঃমিঃ দক্ষিণ – পশ্চিমে অবস্থান করছিল ।
চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ৬ ( ছয় ) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে । উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী , লক্ষ্মীপুর , ফেনী , চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চর সমূহ ৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে । কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৪ (চার) নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে । উপকূলীয় জেলাসমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল সবভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে । ঘূর্ণিঝড় অতিক্রম কালে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিঃমিঃ বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে ।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে ।
ছবিঃ সংগ্রহ

