চলে গেলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল
চলে গেলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল
চলে গেলেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল। মঙ্গলবার ভোরে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে স্নায়ুর রোগে ভুগছিলেন তাপস পাল। কথা বলা ও চলা-ফেরায়ও সমস্যা ছিল। ১ ফেব্রুয়ারি বান্দ্রার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তিনি ভেন্টিলেশনে ছিলেন। ৬ ফেব্রুয়ারি ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হয়। সোমবার দিবাগত রাতে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ভোরের দিকে তার মৃত্যু হয়।
১৯৫৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর হুগলির চন্দননগরে জন্মগ্রহণ করেন তাপস পাল। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তার। কলেজে পড়াকালীন নজরে পড়েন পরিচালক তরুণ মজুমদারের। ২২ বছর বয়সে মুক্তি পায় প্রথম ছবি ‘দাদার কীর্তি’। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাপস পালকে। একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের।
উল্লেখযোগ্য ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সাহেব’, ‘অনুরাগের ছোঁয়া’, ‘পারাবত প্রিয়া’, ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’। ‘সাহেব’ ছবির জন্য পান ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার। বাংলার পাশাপাশি তাপস পাল অভিনয় করেছেন হিন্দি ছবিতেও। মাধুরী দীক্ষিতের বিপরীতে অভিনয় করেন ‘অবোধ’ ছবিতে।
অভিনয়ের পাশাপাশি ২০০৯ সালের ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত হয়ে কৃষ্ণনগর থেকে এমপি হন তিনি।
তাপস পালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, তাপস পালের মৃত্যুতে তিনি শোকাহত। বাংলা সিনেমার একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ এবং বিধায়কের মৃত্যুতে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রায়ত অভিনেতার স্ত্রী নন্দিনী পাল এবং মেয়ে সোহিনী পালকেও সমবেদনা জানান।
ছবিঃ সংগ্রহ

