বেলিজ উপকূলের নীল সমুদ্র গর্ত -গ্রেট ব্লু হোল
বেলিজ উপকূলের নীল সমুদ্র গর্ত -গ্রেট ব্লু হোল
গ্রেট ব্লু হোল , কেভ নেটওয়ার্কের প্রবেশ দ্বার ।মধ্য অ্যামেরিকার দেশ বেলিজ উপকূলে অবস্থিত সর্ববৃহৎ সমুদ্রগর্ভস্থ গর্ত গ্রেট ব্লু হোল ( Great blue hole) , এক বিস্ময়কর নীল চোখ হিসেবে পরিচিত । বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র গর্ত ।

বেলিজ সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে ব্লু হোলের অবস্থান । এটি বৃত্তাকার আকৃতির । ব্লু হোলের ব্যাসার্ধ ৩০০ মিটার ( ৯৮৪ ফুট ), গভীরতা ১২৪ মিটার ( ৪০৭ ফুট ) । পুরো বাহামার নিচ জুড়ে আছে এই বিশাল কেভ নেটওয়ার্ক । অনেক হোল প্রায় ১৪ কিলোমিটার মোটা । এই হোলগুলো দিয়েই ড্রাইভাররা নেটওয়ার্কের ভেতর প্রবেশ করে ।

বেলিজ সিটি থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরে ব্লু হোলের অবস্থান । এটি বৃত্তাকার আকৃতির । ব্লু হোলের ব্যাসার্ধ ৩০০ মিটার ( ৯৮৪ ফুট ), গভীরতা ১২৪ মিটার ( ৪০৭ ফুট ) । পুরো বাহামার নিচ জুড়ে আছে এই বিশাল কেভ নেটওয়ার্ক । অনেক হোল প্রায় ১৪ কিলোমিটার মোটা । এই হোলগুলো দিয়েই ড্রাইভাররা নেটওয়ার্কের ভেতর প্রবেশ করে ।
ব্লু হোলের ভেতর রয়েছে অন্য এক জগত । অজানা অচেনা সব জলজ প্রাণী , জলজ উদ্ভিদের খোঁজ বিজ্ঞানীরা এখান থেকেই পেয়েছেন । স্কুইড জাতীয় জলজ প্রাণী , যা কেবল সাগরের অতল গভীরে থাকে এবং নানা প্রজাতির বিরল প্রাণী যা শুধুমাত্র এখানেই পাওয়া যায় । এখনো ডুবুরিরা ব্লু হোলে যায় নতুন প্রাণীর খোঁজে ।

প্রায় ৬৫ বছর আগে , আইস এইজ যুগে ,মেরুঅঞ্চলে জড়ো হয়েছিল পৃথিবীর সব পানি । তখন সমুদ্র পৃষ্ঠও ছিল অনেক নিচুতে । তখন বাহামায় সমুদ্রপৃষ্ঠ ছিল প্রায় ১৫০ মিটার নিচুতে । সেসময় ক্যালসিয়াম কার্বনেট জাতীয় পদার্থ জমে তৈরি হয়েছিল পাথর । কেভের বিশাল কাঠামোর সৃষ্টি সেই পাথর থেকেই । জমাটবাঁধা বরফ যখন গলতে শুরু করলো , সাগরের পানির উচ্চতাও বেড়ে গেল । আর সেই কাঠামো ডুবে গেল পানির নীচে । আজ থেকে প্রায় ১০ হাজার বছর আগে পুরো কেভ নেটওয়ার্ক এভাবেই পানির নীচে ডুবে গিয়েছিল । এরপর বেশ কয়েকটি জায়গার পাথর ভেঙ্গে সৃষ্টি হয়েছিল এই গ্রেট ব্লু হোল । ব্লু হোলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করে ।
tor-e-tokka.com# h/@.
ছবিঃ সংগ্রহ

