আবহাওয়া

সারাদেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় ধস নেমেছে। এতে শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। দেশ জুড়ে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে যাওয়ায় কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে রাজধানীসহ সারাদেশ। অনেক এলাকায় সূর্যের দেখা পাওয়া না গেলেও কিছু কিছু এলাকায় দুপুরের পর মিলেছে সূর্যের আলো। আগামীকাল শনিবার (৪ ডিসেম্বর) তাপমাত্রার উন্নতি হতে পারে। এরপর ৯ জানুয়ারি আবারো শীত তীব্রভাবে জেঁকে বসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা।

দিনে সূর্যের আলো দেখা গেলে শীতের অনুভবতা কমে গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকাসহ অনেক এলাকায় সূর্যের দেখা পাওয়া যায়নি। এতে শীতের অনুভব বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ছাড়া দিনেই মানুষ প্রয়োজনের খাতিরে ঘর থেকে বের হয় তাই অনুভবও বেশি পেয়েছে। রাতের তাপমাত্রার তেমন পরিবর্তন হয়নি। তাই রাতে আগে যেমন শীত অনুভব হয়েছে এখনো তাই হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এজন্য বছরের এ সময়ে গ্রামেগঞ্জে গরু, ছাগলকে চটের বস্তা পরিয়ে দিতে হয় শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে।

কুয়াশার চাদরে দেশ ঢেকে গেলেও দেশ জুড়ে শৈত্যপ্রবাহ দেখা যায়নি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপাত্ত অনুযায়ী গতকাল বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায় ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে সিলেটে ২৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেনি।

আরও খবর